হুজুর সৈয়্যদ শাহ মুহাম্মদ মুখতার আশরাফ আশরাফী আল জিলানী ওরফে “সারকারে কাঁলা” তিনি আপন সম্মানিত দাদাজান মাহবুবে রাব্বানী শায়খুল মাহবুবে রাব্বানী শায়খুল মাশায়েখ সাইয়্যেদুনা আ’লা হযরত আশরাফী মিয়া (আলাইহির রাহমাহ) এর ইন্তেকালের পর সাজ্জাদানাশীন পদে অধিষ্ঠিত হন। তিনি বাল্যকালেই আপন সম্মানিত দাদাজানের তাওয়াজ্জুহ, দয়া ও ফয়েজের দ্বারা তাছাউফের সমস্ত স্তরসমূহ অতিক্রম করেন এবং ফয়েজ ও করুণার মূল ও সৃষ্টিজগতের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিণত হন। যার বেলায়াতের সনদ সাধারণ কারো কাছ থেকে অর্জিত হয়নি বরং সর্বজন স্বীকৃত কুতুবে যামানের নিকট থেকে অর্জিত হয়। কুতুবে রাব্বানী সাইয়্যেদুনা আলা হযরত আশরাফী মিয়াঁ (আলাইহির
মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
হুজুর ক্বায়েদে মিল্লাত (মাদ্দাজিল্লাহুল আলী) এর পবিত্র অবদান :
হুজুর শায়খে আজম (আলাইহির রাহমাহ) যে সকল মহান কাজ পরিপূর্ণ করে গেছেন, হুজুর ক্বায়েদে মিল্লাত (মাদ্দাজিল্লাহুল আলী) তার প্রসারতা দুনিয়া ব্যাপি ছড়িয়ে দিচ্ছেন এবং কেয়ামত পর্যন্ত এর খেদমত জারি রাখার জন্য “সৈয়দ মাহমুদ আশরাফ দারুত-তাহ্ক্বীক ওয়া তাসনীফ” প্রতিষ্ঠা করেন। যার মাধ্যমে দ্বীন, সুন্নীয়াত ও ত্বরীকত এর বিভিন্ন বিষয় এর উপর কোরআন হাদীস মোতাবেক কিতাব রচনা করা হয়।
আহলে সুন্নাত রিসার্চ সেন্টার :
সাহেবে সাজ্জাদাহ্ হিসেবে হুজুর ক্বায়েদে মিল্লাত (মাদ্দাজিল্লাহুল আলী) :
হুজুর শায়খে আজম (আলাইহির রাহমাহ) পর্দা করার পর ১লা জুন ২০১২ সালে তিনি সাজ্জাদানাশীন হিসেবে অভিষিক্ত হন। হুজুর শায়খে আজম (আলাইহির রাহমাহ) এর ৪০ দিনের ফাতেহার অনুষ্ঠান ও হুজুর সারকারে কাঁলা (আলাইহির রাহমাহ) এর উরস শরীফের অনুষ্ঠান, খানদানে আশরাফীয়া হাসানিয়া হোসাইনিয়া আহমাদীয়ার সমস্ত মাশায়েখ হাযরাতসহ সমস্ত মুরীদ ও ভক্তগণ এর সামনে উনার পবিত্র মাথায় তাজ, খেরকা ও আমামা (পাগড়ী) রাখা হয় সবাই একত্রিতভাবে উনার সাজ্জাদানাশীন হওয়ার পত্রে দস্তখত করেন এবং সবাই একে উনার সাথে মুসাফাহা, মুয়ানাকা ও মোবারকবাদ পেশ করেন। দেশে ও বিদেশে উনার অসংখ্য মুরীদ ও ভক্ত রয়েছেন এবং ধারাবাহিক ভাবে সবসময়ই উনার নিকট লোকেরা বায়াত গ্রহণ করে মাখদুমী ফয়েজ পেয়ে ধন্য হচ্ছে।
মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
গাদীরে খুমের ঘটনা এবং শিয়াদের ঈদের দিনঃ
যিলহজ্ব মাসের ১৮ তারিখ পথিমধ্যে ‘গাদীরে খুম’ নামক কুপের স্থানে বিশ্রামের জন্য নবী করীম [ﷺ] অবতরণ করেন। এখানে হযরত আলী (رضي الله عنه)-এঁর ফজিলত ও মর্তবা বয়ান করে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দান করেন। সে ভাষণে নবী করীম [ﷺ] এরশাদ করেন, (نسائى) من كنت مولاه فعلى مولاه ـ اللهم وال من والاه و عا دمن عاداه
অর্থঃ আমি যার মুনিব বা মাওলা, হযরত আলীও তাঁর মাওলা। হে আল্লাহ যে ব্যক্তি হযরত আলীর সাথে বন্ধুত্ব রাখে, তুমিও তার সাথে বন্ধুত্ব রাখো এবং
মাহবুবে ইয়াযদানী (র.) এর উত্তরাধিকারী ও খান্দানে আশরাফীয়ার পরিচিতিঃ
হযরত মাহবুবে ইয়াযদানী শেখ সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানী (র.) এর পর তার উত্তরাধিকারের ধ্বজা হযরত আবদুর রাজ্জাক নুরুল আইন (র.) এর উপর বর্তায়। কেননা হযরত মাহবুবে ইয়াযদানী চিরকুমার ছিলেন বিধায় সন্তান সন্তুতির প্রশ্ন অবান্তর। তাই তাঁর রূহানী সন্তান হযরত আবদুর রাজ্জাক (র.) ই তাঁর ওফাতের পর তরিকতের দায়িত্বে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন এবং অবদুর রাজ্জাক নুরুল আইন (র.) এর বংশধরগণ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানী (র.) এর দিকে নিজেদের পরিচয়কে বিশেষিত করেন। ফলে তাঁরা ‘আশরাফি খান্দান
বেলায়তের উচ্চ স্থানঃ
মাহবুবে ইয়াযদানী, গাউসুল আলম হযরত সৈয়দ আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানী (র.) বেলায়তের সর্বোচ্চ স্থান-গাউসিয়ত লাভ করেন। তাঁর এ উচ্চ রােতবা লাভ সম্পর্কে পূর্ববর্তী অনেক জগত বিখ্যাত অলির ভবিষ্যদ্বানীর কথা জানা যায়। যেমন হযরত খাজা কুতুবুদ্দিন বখতিয়ার কাকী (র.) দিল্লীর সুলতান শামসুদ্দিন আলতামাশ এর সময়ে হযরত মাহবুবে ইয়াযদানীর (রহ.) এর দাদা হযরত সৈয়দ শামসুদ্দিন মাহমুদ নুর বখশী (র.) দিল্লী ভ্রমণে আসলে হযরত বখতিয়ার কাকী (র.) তাকে বলেন, “আমি আপনাকে সুসংবাদ জানাই যে, আপনার
মাহবুবে ইয়াযদানীর বাদশাহী ত্যাগঃ
এতদসত্বেও তাঁর অন্তরে একজন জাহেরী মুর্শিদ লাভের তীব্র আকাংখা প্রশমিত হয়নি। এ আকাংখার তীব্রতা তাঁকে বাদশাহী কর্মকান্ডে সম্পূর্ণ উদাসীন করে ফেলে। তিনি অস্থিরতা অনুভব করতে লাগলেন। তখন তাঁর বয়স পঁচিশ পরিপূর্ণ হয়। তিনি রমজান মাসের শেষ দশ দিনে শবে কদরের আশায় রাত্রি জাগরণ করেছিলেন। এ অবস্থায় সাতাশের রাতে হযরত খিজির (আঃ) এর আগমণ ঘটে এবং হযরত সুলতান আশরাফ জাহাঙ্গীর সিমনানী (রাঃ) কে বাদশাহী সিংহাসন পরিত্যাগ করে হিন্দুস্থান
Featured post
Hazrat Noorul Aen Ki Shadi, Aulad Aur Sajjadanashin Janashine Makhdoom Ashraf
Jab Syed Ashraf Jahangir Simnani (R.A) Syed Abdur Razzaq Noorul Ain (R.A) ki Zahir o Batini Tarbiyat farma chuke aur unhain uloom o funoon...